সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান

সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান | Sorkarer Bivinno Rup Short Queastion Answer | Class 11 2nd Semester Political Science

সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

১. গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়?

যে রাষ্ট্রব্যবস্থায় জনগণই চূড়ান্ত ক্ষমতার অধিকারী এবং জনগণের সম্মতির ভিত্তিতে শাসনকার্য পরিচালিত হয়, তাকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলে। এই ধরনের রাষ্ট্রে জাতি, বর্ণ, ধর্ম, নারী-পুরুষ, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকল নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

২. ব্যাপক অর্থে গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?

ব্যাপক অর্থে গণতন্ত্র বলতে এমন একটি সমাজব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাম্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ব্যবস্থায় শুধু রাজনৈতিক অধিকার নয়, মানুষের সামাজিক মর্যাদা ও অর্থনৈতিক সুযোগের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। অর্থাৎ, ব্যাপক অর্থে গণতন্ত্র একটি বিশেষ রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক আদর্শের সমন্বয়।

৩. জনগণের শাসন বলতে কী বোঝায়?

জনগণের শাসন বলতে এমন একটি শাসনব্যবস্থাকে বোঝায়, যেখানে জনগণই শাসনক্ষমতার মূল উৎস। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সুইজির মতে, জনগণের শাসনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে—
1. শাসনব্যবস্থার উৎস হলো জনগণ।
2. সরকার ও জনগণ পরস্পরের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে যুক্ত।

৪. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র কী?

যে শাসনব্যবস্থায় জনগণ নিজেরাই প্রত্যক্ষভাবে শাসনকার্য পরিচালনা করে এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করে, তাকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র বলে। প্রাচীন গ্রিস ও রোমের ক্ষুদ্র নগররাষ্ট্রগুলিতে এই শাসনব্যবস্থার প্রচলন ছিল। এই ব্যবস্থায় নাগরিকেরা আইন প্রণয়ন, প্রশাসনিক নীতি নির্ধারণ, সরকারি আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি অংশগ্রহণ করত।

৫. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ: এই শাসনব্যবস্থায় জনগণ প্রতিনিধির মাধ্যমে নয়, নিজেরাই সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে।
2. সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণ: নাগরিকেরা আইন প্রণয়ন, সরকারি নীতি নির্ধারণ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরাসরি মতামত প্রকাশের সুযোগ পায়।

৬. গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

গণতন্ত্রের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. গণসার্বভৌমত্ব: গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় জনগণই সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার মূল উৎস। জনগণের সম্মতির ভিত্তিতে সরকার গঠিত হয় এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণ শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে।
2. আইনের অনুশাসন: গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে আইন মেনে চলতে হয়। আইনের চোখে সকলেই সমান এবং আইন সবার উপর সমভাবে প্রযোজ্য। একেই আইনের অনুশাসন বা Rule of Law বলে।

৭. অর্থনৈতিক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝায়?

যে ব্যবস্থায় সমাজের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা এবং অর্থনৈতিক শোষণ ও বৈষম্য দূর করার চেষ্টা করা হয়, তাকে অর্থনৈতিক গণতন্ত্র বলে। সমাজতন্ত্রবাদীদের মতে, অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠিত না হলে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। অধ্যাপক ল্যাস্কির মতে, অর্থনৈতিক গণতন্ত্র ছাড়া রাজনৈতিক গণতন্ত্র অর্থহীন। কারণ, মানুষ যদি ন্যূনতম অর্থনৈতিক অভাব থেকে মুক্ত হতে না পারে, তবে রাজনৈতিক অধিকারও তার কাছে যথাযথ গুরুত্ব পায় না।

৮. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি সুবিধা লেখো।

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি প্রধান সুবিধা হলো—
1. প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা: প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে জনগণ নিজেরাই শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে। ফলে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর না করে জনগণ সরাসরি রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা পালন করতে পারে।
2. রাজনৈতিক সচেতনতা ও স্বদেশপ্রীতির বিকাশ: এই ব্যবস্থায় নাগরিকেরা সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেওয়ার সুযোগ পায়। এর ফলে তাদের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা, দায়িত্ববোধ ও স্বদেশপ্রীতি বৃদ্ধি পায়।

৯. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি অসুবিধা বা দোষ উল্লেখ করো।

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের দুটি প্রধান অসুবিধা হলো—
1. মুষ্টিমেয় মানুষের প্রাধান্য: সকল নাগরিক সমানভাবে রাজনৈতিকভাবে সচেতন না হওয়ায় অনেক সময় অল্পসংখ্যক সচেতন ব্যক্তি শাসনকার্যে বেশি প্রভাব বিস্তার করে। ফলে সাধারণ মানুষের স্বার্থ উপেক্ষিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
2. জরুরি অবস্থায় অনুপযোগিতা: প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রে জনগণের সম্মিলিত মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়। তাই হঠাৎ কোনো জরুরি পরিস্থিতি দেখা দিলে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।

১০. প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের বিলুপ্তির যেকোনো দুটি কারণ লেখো।

প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের বিলুপ্তি বা অবলুপ্তির দুটি প্রধান কারণ হলো—
1. রাষ্ট্রের আয়তন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি: আধুনিক রাষ্ট্রগুলির আয়তন ও জনসংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় সকল নাগরিকের পক্ষে একত্রিত হয়ে সরাসরি শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করা সম্ভব হয় না।
2. রাজনৈতিক সমস্যার জটিলতা বৃদ্ধি: আধুনিক রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সমস্যাগুলি অত্যন্ত জটিল। তাই এই সমস্যাগুলি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছাড়া সাধারণ মানুষের পক্ষে সব ক্ষেত্রে সরাসরি সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন।

১১. পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো?

❖ আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করুন
আপনার প্রয়োজনীয় সাজেশন

  • ✅ আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার আপনার রেজাল্ট
  • ✅ পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ সহযোগিতা
  • ✅ বিনামূল্যে অনলাইন মক টেস্টের সুবিধা
  • ✅ Watermark-মুক্ত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন PDF
  • ✅ সিলেবাস ও বোর্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রস্তুত
⭐ এতসব সুবিধা পাবেন মাত্র ২৫ টাকার বিনিময়ে। আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু সাজেশন বিক্রি করা নয়; বরং ছাত্রছাত্রীদের উপকৃত করা, তাদের ভালো ফলাফল করতে সাহায্য করা এবং সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে সাফল্যের পথে এগিয়ে দেওয়া।

যে শাসনব্যবস্থায় জনগণ সরাসরি আইন প্রণয়ন ও শাসনকার্য পরিচালনা না করে নিজেদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই কাজগুলি সম্পন্ন করে, তাকে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলে। এই ব্যবস্থায় জনগণ নির্দিষ্ট সময় অন্তর ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আইন প্রণয়ন ও সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন।

১২. সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের উদ্ভব হয় কোথায়?

সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের উদ্ভব গণপ্রজাতন্ত্রী চিনে।

১৩. বহুত্ববাদী গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো?

বহুত্ববাদী গণতন্ত্র হলো এমন এক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, স্বার্থগোষ্ঠী ও সামাজিক সংগঠন নিজেদের মতামত প্রকাশ এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার সুযোগ পায়। এই ব্যবস্থায় সংখ্যালঘুদের স্বাধীনতা, প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠীর ভূমিকার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ম্যাডিসন, ট্রুম্যান ও রবার্ট ডাল এই গণতান্ত্রিক ধারণার উল্লেখযোগ্য প্রবক্তা।

১৪. আইনগত গণতন্ত্র বলতে কী বোঝো?

আইনগত গণতন্ত্র হলো এমন এক শাসনব্যবস্থা, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন, নাগরিকদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ব্যবস্থায় আইন মেনে শাসনকার্য পরিচালনা করা হয় এবং নাগরিকদের অধিকার রক্ষার চেষ্টা করা হয়। আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ ও সমষ্টিতান্ত্রিকতার সম্ভাব্য বিপদ থেকে ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। রবার্ট নজিক ও হায়েক এই ধারণার উল্লেখযোগ্য প্রবক্তা।

১৫. উদারনৈতিক গণতন্ত্র কাকে বলে? বর্তমানে কোথায় কোথায় উদারনৈতিক গণতন্ত্র লক্ষ করা যায়?

যে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ব্যক্তিস্বাধীনতা, রাজনৈতিক সাম্য, নাগরিক অধিকার ও উদারনৈতিক আদর্শের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাকে উদারনৈতিক গণতন্ত্র বলে। এই ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য হলো গণতান্ত্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে উদারনৈতিক চিন্তাধারার বাস্তবায়ন ঘটানো।
সপ্তদশ শতাব্দীতে উদীয়মান পুঁজিপতি শ্রেণি সামন্ততান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার বিরোধিতা করে যে রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রসার ঘটায়, তার সঙ্গে উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিকাশের সম্পর্ক রয়েছে।
বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও জার্মানিতে উদারনৈতিক গণতন্ত্রের প্রচলন লক্ষ করা যায়।

১৬. উদারনৈতিক গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

উদারনৈতিক গণতন্ত্রের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. রাজনৈতিক সাম্য: উদারনৈতিক গণতন্ত্রে জনগণই রাজনৈতিক ক্ষমতার মূল উৎস। সার্বিক প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকারের মাধ্যমে প্রত্যেক নাগরিককে ভোটদানের অধিকার দেওয়া হয়। এখানে ‘এক ব্যক্তি, এক ভোট’ নীতির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
2. গণমাধ্যমের স্বাধীনতা: এই ব্যবস্থায় সংবাদপত্র, বেতার, দূরদর্শনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর ফলে গণমাধ্যমগুলি সরকারি কাজকর্মের সমালোচনা করতে এবং জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

১৭. উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপক্ষে যুক্তি দাও।

উদারনৈতিক গণতন্ত্রের বিপক্ষে দুটি প্রধান যুক্তি হলো—
1. অর্থনৈতিক বৈষম্য: উদারনৈতিক গণতন্ত্রে রাজনৈতিক ও সামাজিক সাম্য এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার স্বীকৃতি থাকলেও বাস্তবে অর্থনৈতিক সাম্য প্রতিষ্ঠা করা কঠিন। ফলে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে বৈষম্য বজায় থাকে এবং অনেক সময় অন্যান্য অধিকারও যথাযথভাবে ভোগ করা সম্ভব হয় না।
2. বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন: সমালোচকদের মতে, উদারনৈতিক গণতন্ত্রে ধনবৈষম্য ও অর্থনৈতিক ক্ষমতার প্রভাব বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতাকে ব্যাহত করতে পারে।

১৮. সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. ব্যক্তিগত মালিকানার পরিবর্তে সামাজিক মালিকানা: সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রে উৎপাদনের উপকরণগুলির উপর ব্যক্তিগত মালিকানার পরিবর্তে সামাজিক মালিকানা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিক বৈষম্য ও শ্রেণিশোষণ দূর করা।
2. সর্বহারা শ্রেণির স্বার্থ সংরক্ষণ: সমাজতান্ত্রিক গণতন্ত্রে শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের স্বার্থরক্ষার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মার্কসবাদীদের মতে, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজের সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিশ্রমী মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব।

HS Class 12

সেমিস্টার প্রস্তুতি

WhatsApp গ্রুপ

১৯. গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা বলতে কী বোঝায়?

গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতা হলো এমন একটি নীতি, যার মাধ্যমে গণতন্ত্র ও কেন্দ্রীকতা, স্বাধীনতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা করা হয়। এই নীতি অনুযায়ী, রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা নির্বাচিত হন এবং তাঁরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। একই সঙ্গে শাসনকার্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

২০. গণতন্ত্রের বিপক্ষে দুটি যুক্তি দাও। অথবা, গণতন্ত্রের দুটি দোষ লেখো।

গণতন্ত্রের বিপক্ষে দুটি প্রধান যুক্তি হলো—
1. নৈতিকতার অবনতি: সমালোচকদের মতে, গণতন্ত্রে অনেক সময় অশিক্ষা ও রাজনৈতিক অসচেতনতার সুযোগ নিয়ে স্বার্থান্বেষী নেতারা জনগণকে প্রভাবিত করেন। নির্বাচনের সময় অর্থের অপব্যবহার, দুর্নীতি, ভোটে কারচুপি ও বুথ দখলের মতো ঘটনা ঘটতে পারে। এর ফলে রাজনৈতিক নৈতিকতার অবনতি ঘটে।
2. ব্যয়বহুল শাসনব্যবস্থা: গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন পরিচালনা, রাজনৈতিক প্রচার এবং জনমত গঠনের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হয়। কোনো কারণে সরকার স্থায়িত্ব হারালে পুনরায় নির্বাচন করার প্রয়োজন হতে পারে। ফলে সরকারি অর্থের ব্যয় আরও বেড়ে যায়।

২১. গণতন্ত্রের সপক্ষে দুটি যুক্তি দাও। অথবা, গণতন্ত্রের দুটি গুণ লেখো।

গণতন্ত্রের সপক্ষে দুটি প্রধান যুক্তি হলো—
1. স্বৈরাচারিতা রোধ: গণতন্ত্রে জনগণের মতামত ও সম্মতির উপর সরকারকে নির্ভর করতে হয়। কোনো সরকার জনস্বার্থের বিরোধী কাজ করলে পরবর্তী নির্বাচনে জনগণ তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে পারে। ফলে শাসকদের স্বৈরাচারী হয়ে ওঠার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।
2. শাসনব্যবস্থার স্থায়িত্ব: গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের সম্মতি ও সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। সরকার জনস্বার্থ রক্ষা করতে পারলে জনগণের সমর্থন বজায় থাকে। এর ফলে শাসনব্যবস্থার স্থায়িত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পায়।

২২. গণতন্ত্রের সাফল্যের দুটি শর্ত উল্লেখ করো।

গণতন্ত্রের সাফল্যের দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—
1. জাতীয় সংহতি ও ঐক্য: গণতন্ত্রের সাফল্যের জন্য নাগরিকদের মধ্যে জাতীয় ঐক্যবোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতা থাকা প্রয়োজন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও অন্যান্য সামাজিক বিভেদ গণতন্ত্রের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। তাই সামাজিক বৈষম্য দূর করে জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠা করা জরুরি।
2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ: গণতন্ত্রের সাফল্যের জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা অপরিহার্য। বিচার বিভাগ স্বাধীন হলে নাগরিকেরা ন্যায়বিচার পেতে পারেন এবং তাঁদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে। বিচার বিভাগের উপর জনগণের আস্থা বজায় থাকলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও শক্তিশালী হয়।

২৩. একনায়কতন্ত্র কাকে বলে?

একনায়কতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Dictatorship। এই শব্দটি লাতিন Dictatus শব্দ থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ চরম ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি। যে শাসনব্যবস্থায় একজন ব্যক্তি বা একটি গোষ্ঠী বলপ্রয়োগের মাধ্যমে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে এবং নিরঙ্কুশভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে, তাকে একনায়কতন্ত্র বলে। এই ব্যবস্থায় জনগণের মতামত ও বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকা সাধারণত উপেক্ষিত হয়।

২৪. একনায়কতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।

একনায়কতন্ত্রের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. স্বৈরাচার ও একচেটিয়া ক্ষমতার প্রয়োগ: একনায়কতন্ত্রে রাষ্ট্রের যাবতীয় ক্ষমতা একজন ব্যক্তি বা একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। শাসক নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করেন এবং বিরোধী মতামতকে দমন করার চেষ্টা করেন।
2. একটি দলের প্রাধান্য: একনায়কতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত একটি রাজনৈতিক দলের প্রাধান্য থাকে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ সীমিত বা অনুপস্থিত থাকে। শাসকগোষ্ঠী নিজেদের জাতীয় স্বার্থের একমাত্র রক্ষক বলে দাবি করতে পারে।

২৫. কর্তৃত্ববাদ কাকে বলে?
কর্তৃত্ববাদ হলো এমন একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ বা শাসনব্যবস্থা, যেখানে ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা ও কর্মকাণ্ডের তুলনায় রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব এবং শাসকের প্রতি আনুগত্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কোনো ব্যক্তি, ক্ষুদ্র গোষ্ঠী, অভিজাত শ্রেণি বা রাজনৈতিক দলের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। সরকার শক্তিশালী কেন্দ্রীয় কর্তৃত্বের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনা করে এবং জনগণকে সীমিত রাজনৈতিক স্বাধীনতা প্রদান করে।

২৬. কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. কেন্দ্রীভূত নেতৃত্ব: এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলি শাসক বা শাসকগোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে। আইনসভা, রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীনে কাজ করতে পারে।
2. সীমিত রাজনৈতিক বহুত্ববাদ: কর্তৃত্ববাদী শাসনে গণতন্ত্রের মতো স্বাধীন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা ও বহুমতের পূর্ণ বিকাশ ঘটে না। বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সংগঠনগুলির কার্যকলাপ সীমিত করা হয় এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের নিষিদ্ধও করা হতে পারে।

২৭. সামরিক স্বৈরতন্ত্রের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

সামরিক স্বৈরতন্ত্রের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. সামরিক নেতৃত্বের প্রাধান্য: এই শাসনব্যবস্থায় সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ আধিকারিক, জেনারেল বা সামরিক নেতারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ফলে শাসনকার্যে সামরিক কর্তৃপক্ষের প্রভাব অত্যন্ত বেশি থাকে।
2. বলপ্রয়োগের ব্যবহার: সামরিক স্বৈরতন্ত্রে রাষ্ট্র ও সমাজের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে বলপ্রয়োগের উপর নির্ভর করা হয়। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি ও প্রতিবাদী কণ্ঠস্বরকে দমন করার জন্যও বলপ্রয়োগ করা হতে পারে।

২৮. একদলীয় শাসনব্যবস্থা কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

যে শাসনব্যবস্থায় একটি রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রের রাজনীতি ও শাসনক্ষমতার উপর একচ্ছত্র প্রাধান্য বিস্তার করে এবং অন্য দলগুলির স্বাধীন রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার সুযোগ থাকে না বা অত্যন্ত সীমিত থাকে, তাকে একদলীয় শাসনব্যবস্থা বলে। এই ব্যবস্থায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বজায় থাকতে পারে।
উদাহরণ: গণপ্রজাতন্ত্রী চিনে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বাধীন শাসনব্যবস্থা একদলীয় শাসনের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

২৯. একদলীয় শাসনব্যবস্থার দুটি বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

একদলীয় শাসনব্যবস্থার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. একটি দলের প্রাধান্য: এই ব্যবস্থায় একটি রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে এবং ধারাবাহিকভাবে সরকার গঠন ও শাসনক্ষমতা ধরে রাখে। বিরোধী দল থাকলেও তাদের রাজনৈতিক প্রভাব অনেক সময় সীমিত থাকে।
2. রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের উপর নিয়ন্ত্রণ: একদলীয় শাসনে ক্ষমতাসীন দল বিচার বিভাগ, পুলিশ, সামরিক বাহিনী ও গণমাধ্যমের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের উপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এর ফলে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দলের প্রভাব বজায় থাকে।

৩০. কর্তৃত্ববাদের দুটি সুবিধা বা গুণ লেখো।

কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা হলো—
1. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ: কর্তৃত্ববাদী শাসনে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকায় দীর্ঘ আলোচনা বা জটিল রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ছাড়াই দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়, জরুরি অবস্থা বা সংকটের সময় এই ব্যবস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারে।
2. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা: কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থায় ক্ষমতার পরিবর্তন সাধারণত সীমিত থাকে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ভূমিকা কম থাকায় সরকার দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকতে পারে। ফলে শাসনব্যবস্থায় এক ধরনের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

আরো পড়ুন : জাতি এবং জাতীয়তাবাদ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

৩১. কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি অসুবিধা বা ত্রুটি লেখো।

কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার দুটি প্রধান ত্রুটি হলো—
1. স্বাধীনতার অভাব: এই ব্যবস্থায় নাগরিকদের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা সীমিত থাকে। মতপ্রকাশ, সমবেত হওয়া ও রাজনৈতিক প্রতিবাদ করার অধিকার বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার লঙ্ঘিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
2. দুর্নীতি: কর্তৃত্ববাদী শাসনে ক্ষমতা অল্প কয়েকজনের হাতে কেন্দ্রীভূত থাকে এবং শাসকদের জবাবদিহি অনেক সময় দুর্বল হয়। ফলে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির সুযোগ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দেশের উন্নয়ন ব্যাহত হতে পারে।

৩২. সর্বগ্রাসীবাদের সংজ্ঞা দাও।

সর্বগ্রাসীবাদ হলো এমন একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যেখানে রাষ্ট্র বা শাসকগোষ্ঠী মানুষের জীবনের প্রায় সমস্ত ক্ষেত্রের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই নিয়ন্ত্রণ রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং ব্যক্তিগত জীবনেও বিস্তৃত হয়। সাধারণত একটি দল বা স্বৈরশাসকের নেতৃত্বে এই ব্যবস্থা পরিচালিত হয়। এখানে একটি নির্দিষ্ট মতাদর্শ জনগণের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় এবং বিরোধী রাজনৈতিক দল ও ভিন্নমতকে দমন করার চেষ্টা করা হয়।

৩৩. সর্বগ্রাসীবাদের দুটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।

সর্বগ্রাসীবাদের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
1. সর্বব্যাপী রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা: সর্বগ্রাসীবাদে রাষ্ট্রের ক্ষমতা শুধু আইন প্রণয়ন, প্রশাসন ও বিচারকার্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। রাষ্ট্র মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। এর ফলে ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা, মতপ্রকাশ, ধর্মাচরণ ও জীবনযাপনের স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হয়।
2. আইনের অনুশাসনের অনুপস্থিতি: সর্বগ্রাসী শাসনব্যবস্থায় শাসকের ইচ্ছা ও নির্দেশ অনেক সময় আইনের ঊর্ধ্বে স্থান পায়। আইন নাগরিকদের অধিকার রক্ষার পরিবর্তে বিরোধীদের দমন করার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। ফলে আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ ও নাগরিকদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে না।

 

আমাদের যে কোনো E-Book সরাসরি WhatsApp-এর মাধ্যমে কিনতে বা কোনো সমস্যা হলে নিচের বাটনে ক্লিক করে মেসেজ করুন -
আরও পড়ুন প্রয়োজনে
মৌলিক অধিকারের অর্থ ও প্রকৃতি, নির্দেশমূলক নীতিসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
জাতি এবং জাতীয়তাবাদ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
রাজনৈতিক তত্ত্বের মৌলিক ধারণাসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
HS 3rd Semester Political Science Suggestion 2026-27 | উচ্চমাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন 2026-27 Click here

Our Latest Products

উচ্চমাধ্যমিক

উচ্চমাধ্যমিক বাংলা সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেম বাংলা সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক English সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক English সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেম ইতিহাস সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00

একাদশ শ্রেণি

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
একাদশ শ্রেণি ইতিহাস সাজেশন

একাদশ শ্রেণি ইতিহাস সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি দর্শন সাজেশন

একাদশ শ্রেণি দর্শন সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

একাদশ শ্রেণি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন

একাদশ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

একাদশ শ্রেণি শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি English সাজেশন

একাদশ শ্রেণি English সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
একাদশ শ্রেণি সাজেশন SALE

একাদশ শ্রেণি সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00

Leave a Comment

PDF সাজেশন নিতে ক্লিক করুন