মৌলিক অধিকারের অর্থ ও প্রকৃতি, নির্দেশমূলক নীতিসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান

মৌলিক অধিকারের অর্থ ও প্রকৃতি, নির্দেশমূলক নীতিসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Moulik Odhikarer Ortho o Prokriti, Nirdeshmulok Niti Short Queastion Answer | Class 11 2nd Semester Political Science

মৌলিক অধিকারের অর্থ ও প্রকৃতি, নির্দেশমূলক নীতিসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর
মৌলিক অধিকারের অর্থ ও প্রকৃতি, নির্দেশমূলক নীতিসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

১. অধিকারের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করো।

মানুষ সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে জীবনযাপন করতে চায় এবং নিজের ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশ ঘটাতে চায়। এই উদ্দেশ্য পূরণের জন্য মানুষের কিছু সুযোগ-সুবিধা একান্তভাবে প্রয়োজন। এই সুযোগ-সুবিধাগুলির সাহায্যেই মানুষ নিজের ক্ষমতা ও গুণাবলির বিকাশ ঘটাতে পারে। ব্যক্তিত্বের বিকাশের উপযোগী এই সামাজিকভাবে স্বীকৃত সুযোগ-সুবিধাগুলিকেই অধিকার বলা হয়।
অধ্যাপক বি. বোসাংকোয়েতের ভাষায়, “অধিকার হল সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও রাষ্ট্র কর্তৃক প্রযুক্ত দাবি।”
অতএব, অধিকার মানুষের ব্যক্তিত্বের বিকাশে সাহায্য করে এবং সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার সুযোগ সৃষ্টি করে।

২. নৈতিক অধিকার কাকে বলে? উদাহরণ দাও।

যেসব অধিকার সামাজিক ন্যায়নীতি ও নৈতিকতাবোধের উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, সেগুলিকে নৈতিক অধিকার (Moral Rights) বলে। এই অধিকারগুলি সাধারণত আইন দ্বারা স্বীকৃত বা সংরক্ষিত হয় না। তাই নৈতিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে রাষ্ট্র সব ক্ষেত্রে আইনগত শাস্তি দিতে পারে না। তবে অধিকার লঙ্ঘনকারী ব্যক্তি সমাজের নিন্দার সম্মুখীন হতে পারেন এবং নিজের বিবেকের কাছে অপরাধবোধ অনুভব করতে পারেন।
উদাহরণ: বৃদ্ধ বাবা-মায়ের যত্ন নেওয়া ও তাঁদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা সন্তানের একটি নৈতিক দায়িত্ব। সন্তান এই দায়িত্ব পালন না করলে তা নৈতিক অধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

৩. আইনগত অধিকার কাকে বলে? এটি কয় প্রকার ও কী কী?

যেসব অধিকার আইন দ্বারা স্বীকৃত ও সংরক্ষিত হয়, সেগুলিকে আইনগত অধিকার (Legal Rights) বলে। আইনগত অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আইন ও আদালতের সাহায্য নিতে পারেন এবং আইন অনুযায়ী প্রতিকার পেতে পারেন।
আইনগত অধিকার প্রধানত চার প্রকার। যথা—
1. পৌর অধিকার (Civil Rights)
2. রাজনৈতিক অধিকার (Political Rights)
3. অর্থনৈতিক অধিকার (Economic Rights)
4. সামাজিক ও কৃষ্টিগত অধিকার (Social and Cultural Rights)

৪. পৌর অধিকার কাকে বলে? এটি কয় প্রকার ও কী কী?

যেসব অধিকার ছাড়া মানুষের পক্ষে সভ্য ও স্বাভাবিক সামাজিক জীবনযাপন করা কঠিন, সেগুলিকে পৌর অধিকার (Civil Rights) বলে। ব্যক্তির স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশের জন্য এই অধিকারগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পৌর অধিকারের অন্তর্ভুক্ত উল্লেখযোগ্য অধিকারগুলি হলো—
1. জীবনের অধিকার
2. স্বাধীনতার অধিকার
3. সম্পত্তির অধিকার
4. চুক্তিবদ্ধ হওয়ার অধিকার
5. পরিবার গঠনের অধিকার
6. ধর্মাচরণের অধিকার
7. শিক্ষার অধিকার

৫. সামাজিক ও কৃষ্টিগত অধিকার কাকে বলে? এর প্রকারভেদ লেখো।

মানুষের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের বিকাশের জন্য যেসব সুযোগ-সুবিধা অপরিহার্য, সেগুলিকে সামাজিক ও কৃষ্টিগত অধিকার (Social and Cultural Rights) বলে। এই অধিকারগুলি মানুষের সুস্থ জীবনযাপন, সামাজিক মর্যাদা এবং নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে সাহায্য করে।
সামাজিক ও কৃষ্টিগত অধিকারের উল্লেখযোগ্য প্রকারগুলি হলো—
1. সাম্যের অধিকার
2. সুস্থ পরিবেশে বসবাসের অধিকার
3. স্বাস্থ্য রক্ষার অধিকার
4. শোষণের বিরুদ্ধে অধিকার
5. ভাষা ও সংস্কৃতির অধিকার

৬. যেকোনো দুটি পৌর অধিকার সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

১. জীবনের অধিকার: জীবনের অধিকার মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পৌর অধিকার। এই অধিকার অনুসারে, আইনসম্মত পদ্ধতি ছাড়া কোনো ব্যক্তির জীবন ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কেড়ে নেওয়া যায় না। প্রত্যেক মানুষের জীবন রক্ষা করা এবং মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার সুযোগ নিশ্চিত করা এই অধিকারের মূল উদ্দেশ্য।
২. স্বাধীনতার অধিকার: স্বাধীনতার অধিকার মানুষের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অধিকারের মাধ্যমে ব্যক্তি নিজের চিন্তা, মতামত ও কাজকর্মের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা ভোগ করে। তবে এই স্বাধীনতা এমনভাবে প্রয়োগ করা উচিত, যাতে অন্যের অধিকার ও স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ না হয়।

৭. রাজনৈতিক অধিকার বলতে কী বোঝো? এর প্রকারভেদ সংক্ষেপে লেখো।

রাষ্ট্রের শাসনকার্য ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় নাগরিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ-সুবিধাকে রাজনৈতিক অধিকার (Political Rights) বলে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য এই অধিকারগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাজনৈতিক অধিকারের উল্লেখযোগ্য প্রকারগুলি হলো—
1. ভোটদানের অধিকার
2. নির্বাচিত হওয়ার অধিকার
3. সরকারি চাকরিতে আবেদন করার অধিকার
4. সরকার গঠনে অংশগ্রহণের অধিকার
5. সরকারের সমালোচনা করার অধিকার
6. বিদেশে থাকাকালীন রাষ্ট্রের কাছ থেকে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার
7. রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অধিকার

৮. অর্থনৈতিক অধিকার কাকে বলে? এটি কয় প্রকার ও কী কী?

যেসব অধিকার মানুষকে দারিদ্র্য, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও শোষণ থেকে মুক্ত রেখে স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ জীবনযাপনে সাহায্য করে, সেগুলিকে অর্থনৈতিক অধিকার (Economic Rights) বলে। অর্থনৈতিক অধিকার ছাড়া পৌর, রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকারগুলি অনেক সময় কার্যকরভাবে ভোগ করা সম্ভব হয় না।
অধ্যাপক ল্যাস্কির মতে, দৈনন্দিন জীবিকা অর্জনের ক্ষেত্রে ন্যায্য মজুরি পাওয়ার নিরাপত্তা ও সুযোগ অর্থনৈতিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। বার্কারের মতে, অর্থনৈতিকভাবে পরাধীন ব্যক্তি প্রকৃত অর্থে রাজনৈতিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারে না।
অর্থনৈতিক অধিকারের উল্লেখযোগ্য প্রকারগুলি হলো—
1. কর্মের অধিকার
2. যথাযথ পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকার
3. বিশ্রামের অধিকার
4. বার্ধক্য ও অক্ষম অবস্থায় প্রতিপালিত হওয়ার অধিকার

৯. যেকোনো দুটি সামাজিক অধিকার সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো।

১. শিক্ষার অধিকার: শিক্ষা মানুষের জ্ঞান, বিচারবুদ্ধি ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ ঘটায়। শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ নিজের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন হয় এবং সমাজের উন্নয়নে অংশগ্রহণ করতে পারে। অধ্যাপক ল্যাস্কির মতে, শিক্ষার অধিকার নাগরিকদের জ্ঞানভিত্তিক বিচারবুদ্ধি প্রয়োগে সাহায্য করে।
২. সাংস্কৃতিক অধিকার: সাংস্কৃতিক অধিকার বলতে নিজের ভাষা, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং সংরক্ষণের সুযোগকে বোঝায়। এই অধিকারের মাধ্যমে মানুষ খেলাধুলা, নাটক, সংগীত ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করতে পারে। এর ফলে সমাজের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য বজায় থাকে।

১০. কর্তব্য কাকে বলে?

কর্তব্য বলতে কোনো ব্যক্তি, সমাজ বা রাষ্ট্রের প্রতি নির্দিষ্ট দায়িত্ব পালন করাকে বোঝায়। সমাজে প্রত্যেক মানুষের কিছু দায়িত্ব থাকে, যা যথাযথভাবে পালন করা প্রয়োজন। যেমন—দেশের আইন মেনে চলা, অন্যের অধিকারকে সম্মান করা এবং রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন করা নাগরিকের কর্তব্য।
অধিকার ও কর্তব্য পরস্পরের পরিপূরক। একজন ব্যক্তি নিজের অধিকার ভোগ করার পাশাপাশি অন্যের অধিকার রক্ষা করার দায়িত্বও পালন করে। নাগরিকদের কর্তব্যবোধ ও সচেতনতা একটি সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে সাহায্য করে।

❖ আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করুন
আপনার প্রয়োজনীয় সাজেশন

  • ✅ আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার আপনার রেজাল্ট
  • ✅ পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ সহযোগিতা
  • ✅ বিনামূল্যে অনলাইন মক টেস্টের সুবিধা
  • ✅ Watermark-মুক্ত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন PDF
  • ✅ সিলেবাস ও বোর্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রস্তুত
⭐ এতসব সুবিধা পাবেন মাত্র ২৫ টাকার বিনিময়ে। আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু সাজেশন বিক্রি করা নয়; বরং ছাত্রছাত্রীদের উপকৃত করা, তাদের ভালো ফলাফল করতে সাহায্য করা এবং সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে সাফল্যের পথে এগিয়ে দেওয়া।

১১. মৌলিক অধিকারের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করো।

মৌলিক অধিকার বলতে সেই অধিকারগুলিকে বোঝায়, যেগুলি মানুষের জীবন, স্বাধীনতা ও ব্যক্তিত্বের পূর্ণ বিকাশের জন্য একান্তভাবে অপরিহার্য। এই অধিকারগুলি নাগরিকদের মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ দেয় এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতার উপর সাংবিধানিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
ভারতীয় সংবিধানের তৃতীয় অংশে, ১২ থেকে ৩৫ নং ধারায়, মৌলিক অধিকারগুলি লিপিবদ্ধ রয়েছে। এগুলি সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত এবং আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য।
অধ্যাপক জোহারির মতে, মৌলিক অধিকার হলো এমন অধিকার, যা দেশের সর্বোচ্চ আইন দ্বারা সুরক্ষিত।
অতএব, মৌলিক অধিকার নাগরিকদের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করে এবং গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে।

১২. মৌলিক অধিকারের দুটি সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করো।

মৌলিক অধিকারের দুটি প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো—
১. জাতীয় স্বার্থে বিধিনিষেধ: ভারতীয় সংবিধানে স্বীকৃত মৌলিক অধিকারগুলি সম্পূর্ণ অবাধ নয়। জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য সাংবিধানিক কারণে কয়েকটি অধিকারের উপর যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপ করা যায়। ফলে নাগরিকেরা সব ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করতে পারেন না।
২. সংবিধান সংশোধনের প্রভাব: সংবিধানের ৩৬৮ নং ধারা অনুসারে সংসদ সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে মৌলিক কাঠামোর নীতি অনুসারে সংসদ সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করতে পারে না। তাই মৌলিক অধিকার সংশোধনযোগ্য হলেও এই ক্ষমতার উপর সাংবিধানিক সীমা রয়েছে।

১৩. মৌলিক অধিকারের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।

মৌলিক অধিকারের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
১. বিভিন্ন আদর্শের প্রভাব: ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকারগুলি প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের সংবিধান ও রাজনৈতিক চিন্তাধারার প্রভাব রয়েছে। এর মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অধিকারের সনদ, ফ্রান্সের মানবাধিকার ঘোষণা এবং আইনের অনুশাসন সম্পর্কিত ধারণা উল্লেখযোগ্য।
২. আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্যতা: মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে নাগরিকেরা সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে পারেন। সংবিধানের ৩২ ও ২২৬ নং ধারার মাধ্যমে যথাক্রমে সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ বা লেখ জারি করতে পারে।

১৪. সাম্যের অধিকারের ১৬ নং ধারাটি বিবৃত করো।

ভারতীয় সংবিধানের ১৬ নং ধারায় সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে সুযোগের সমতার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
১৬(১) নং ধারা: রাষ্ট্রের অধীনস্থ চাকরি বা পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের সমান সুযোগের অধিকার থাকবে।
১৬(২) নং ধারা: ধর্ম, জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ, বংশ, জন্মস্থান বা বাসস্থানের ভিত্তিতে কোনো নাগরিকের প্রতি সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করা যাবে না।
এই ধারার মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে বৈষম্য দূর করে সুযোগের সাম্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছে।

১৫. স্বাধীনতার অধিকার সংক্রান্ত ১৯ নং ধারাটি বিবৃত করো।

ভারতীয় সংবিধানের ১৯(১) নং ধারায় নাগরিকদের ছয়টি স্বাধীনতার অধিকার স্বীকৃত হয়েছে। এগুলি হলো—
1. বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার — ১৯(১)(ক)।
2. শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্রভাবে সমবেত হওয়ার অধিকার — ১৯(১)(খ)।
3. সংঘ, সমিতি বা সমবায় সমিতি গঠনের অধিকার — ১৯(১)(গ)।
4. ভারতের সর্বত্র স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার অধিকার — ১৯(১)(ঘ)।
5. ভারতের যেকোনো অঞ্চলে বসবাস ও বসতি স্থাপনের অধিকার — ১৯(১)(ঙ)।
6. যেকোনো বৃত্তি, পেশা, ব্যবসা বা কারবার করার অধিকার — ১৯(১)(ছ)।
এই স্বাধীনতাগুলি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিকদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও স্বাধীন জীবনযাপনে সাহায্য করে। তবে সংবিধান অনুসারে এগুলির উপর যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

১৬. মৌলিক অধিকারগুলি কি সংশোধনযোগ্য?

হ্যাঁ, ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক অধিকারগুলি সংশোধনযোগ্য। সংবিধানের ৩৬৮ নং ধারা অনুসারে সংসদ নির্দিষ্ট সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনে মৌলিক অধিকার-সংক্রান্ত বিধান সংশোধন করতে পারে।
তবে সংসদের এই ক্ষমতা সীমাহীন নয়। সুপ্রিম কোর্টের মৌলিক কাঠামো তত্ত্ব অনুসারে, কোনো সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক কাঠামো ধ্বংস করা যায় না। তাই মৌলিক অধিকার সংশোধন করা সম্ভব হলেও সংবিধানের মৌলিক কাঠামো অক্ষুণ্ণ রাখতে হয়।

১৭. ভারত কি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র?

হ্যাঁ, ভারত একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দের ৪২তম সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ শব্দটি যুক্ত করা হয়।
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ হলো, রাষ্ট্র কোনো বিশেষ ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে না এবং ধর্মের ভিত্তিতে নাগরিকদের মধ্যে বৈষম্য করা উচিত নয়। ভারতের নাগরিকেরা সংবিধানের বিধান ও জনশৃঙ্খলার অধীনে নিজেদের পছন্দমতো ধর্ম পালন করতে পারেন। সকল ধর্মের প্রতি সমান মর্যাদা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ভারতীয় ধর্মনিরপেক্ষতার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

১৮. সংবিধানের ২২ নং ধারাটি বিবৃত করো।

HS Class 12

সেমিস্টার প্রস্তুতি

WhatsApp গ্রুপ

ভারতীয় সংবিধানের ২২ নং ধারায় গ্রেপ্তার ও আটক-সংক্রান্ত কিছু সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিকে স্বেচ্ছাচারী গ্রেপ্তার ও বেআইনি আটক থেকে রক্ষা করা।
১. ২২(১) নং ধারা: গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে এবং নিজের পছন্দমতো আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।
২. ২২(২) নং ধারা: গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিকে যাত্রার সময় বাদ দিয়ে সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
৩. ২২(৩) নং ধারা: শত্রুভাবাপন্ন বিদেশি এবং নিবর্তনমূলক আটক আইনের অধীনে আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ২২(১) ও ২২(২) ধারার সুরক্ষাগুলি একইভাবে প্রযোজ্য হয় না।
এই ধারার মাধ্যমে ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা ও বেআইনি আটক প্রতিরোধের চেষ্টা করা হয়েছে।

১৯. বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ বলতে কী বোঝো?

বন্দি প্রত্যক্ষীকরণ বা Habeas Corpus একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক লেখ। এর অর্থ হলো ‘সশরীরে হাজির করানো’। কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে আটক করা হলে তাঁর মুক্তির জন্য সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টে এই লেখের আবেদন করা যায়।
আদালত আটককারী কর্তৃপক্ষকে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে এবং আটকের আইনগত কারণ জানাতে নির্দেশ দিতে পারে। আটকের কারণ আইনসম্মত না হলে আদালত ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
এই লেখের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ব্যক্তিস্বাধীনতা রক্ষা করা এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধ করা।

২০. উৎপ্রেষণ বলতে কী বোঝায়?

উৎপ্রেষণ বা Certiorari একটি সাংবিধানিক লেখ। এই শব্দটির অর্থ হলো বিশেষভাবে অবহিত হওয়া। কোনো অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল নিজের আইনগত এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিলে অথবা আইনগত ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে উচ্চ আদালত উৎপ্রেষণ লেখ জারি করতে পারে।
এর মাধ্যমে উচ্চ আদালত সংশ্লিষ্ট মামলার নথি তলব করে সিদ্ধান্তের বৈধতা পরীক্ষা করতে পারে এবং আইনগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারে।

আরো পড়ুন : সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর

২১. অধিকার-পৃচ্ছা লেখটির অর্থ কী?

অধিকার-পৃচ্ছা বা Quo Warranto একটি সাংবিধানিক লেখ। এর অর্থ হলো ‘কোন অধিকারে’ বা ‘কোন কর্তৃত্বে’। কোনো ব্যক্তি আইনগত যোগ্যতা ছাড়া সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হলে সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট এই লেখ জারি করে তাঁর পদে থাকার বৈধতা যাচাই করতে পারে।
আদালতের বিচারে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পদে থাকার অধিকার বৈধ না হলে তাঁকে ওই পদ থেকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে।

২২. প্রতিষেধ কথাটির অর্থ কী?

প্রতিষেধ বা Prohibition একটি সাংবিধানিক লেখ। এর অর্থ হলো ‘নিষেধ করা’। কোনো অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল নিজের আইনগত এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে কোনো মামলা পরিচালনা করতে থাকলে উচ্চ আদালত প্রতিষেধ লেখ জারি করে তাকে সেই কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিতে পারে।
এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো অধস্তন আদালতকে আইনসম্মত সীমার মধ্যে রাখা এবং বিচারকার্যে আইনগত শৃঙ্খলা বজায় রাখা।

২৩. পরমাদেশ বলতে কী বোঝো?

পরমাদেশ বা Mandamus একটি সাংবিধানিক লেখ। এই শব্দটির অর্থ হলো ‘আমরা আদেশ করছি’। কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষ, অধস্তন আদালত বা আইনগত দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা নিজের আইনগত কর্তব্য পালন না করলে উপযুক্ত ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্ট পরমাদেশ জারি করতে পারে।
এই লেখের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তার আইনগত দায়িত্ব পালন করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এই লেখ জারির ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও আইনগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

২৪. নিবর্তনমূলক আটক আইন কাকে বলে?

নিবর্তনমূলক আটক আইন হলো এমন এক ধরনের আইন, যার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ক্ষতিকর কাজ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট শর্তে আটক রাখা যায়। এখানে মূল উদ্দেশ্য হলো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পরে শাস্তি দেওয়া নয়, বরং সম্ভাব্য বিপজ্জনক কাজ প্রতিরোধ করা।
ভারতীয় সংবিধানে জাতীয় নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য নির্দিষ্ট বিষয়ে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান রয়েছে। তবে এই ক্ষমতা সংবিধানের ২২ নং ধারায় নির্ধারিত শর্ত ও সুরক্ষার অধীন। সাধারণ সাংবিধানিক বিধান অনুসারে, তিন মাসের বেশি আটক রাখার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শর্তে উপদেষ্টা পর্ষদের মতামত প্রয়োজন হতে পারে।

২৫. মিসা (MISA) বলতে কী বোঝো?

MISA-এর সম্পূর্ণ নাম Maintenance of Internal Security Act বা অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা আইন। ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সংসদ এই আইন প্রণয়ন করে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষার উদ্দেশ্যে এই আইনের অধীনে ব্যক্তিদের আটক করার ব্যবস্থা ছিল।
এই আইনের অপব্যবহার এবং আটক ব্যক্তিদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে আইনটি বাতিল করা হয়।

২৬. জাতীয় নিরাপত্তা আইন (NSA) কী?

NSA-এর সম্পূর্ণ নাম National Security Act বা জাতীয় নিরাপত্তা আইন। ১৯৮০ খ্রিস্টাব্দে ভারতের সংসদ এই আইন প্রণয়ন করে। দেশের নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো ব্যক্তিকে নিবর্তনমূলকভাবে আটক রাখার ব্যবস্থা এই আইনে রয়েছে।
এই আইনের অধীনে আটক করার ক্ষেত্রে আইন নির্ধারিত শর্ত, পদ্ধতি ও সুরক্ষামূলক বিধান মেনে চলতে হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষা করা।

২৭. নির্দেশমূলক নীতি বলতে কী বোঝো?

ভারতীয় সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৩৬ থেকে ৫১ নং ধারায় রাষ্ট্রপরিচালনার নির্দেশমূলক নীতিগুলি লিপিবদ্ধ রয়েছে। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা, বৈষম্য হ্রাস এবং জনকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে এই নীতিগুলি প্রণয়ন করা হয়েছে।
এই নীতিগুলি আদালতের মাধ্যমে সরাসরি বলবৎযোগ্য নয়। তবে রাষ্ট্র পরিচালনা, আইন প্রণয়ন ও সরকারি নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে এগুলি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক নির্দেশনা হিসেবে কাজ করে।

২৮. ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত দুটি নির্দেশমূলক নীতি লেখো।

ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত দুটি নির্দেশমূলক নীতি হলো—
1. উপযুক্ত মজুরি ও উন্নত জীবনযাত্রা: রাষ্ট্রের উচিত নাগরিকদের জীবনধারণের উপযোগী মজুরি, বিশ্রামের সুযোগ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সুবিধা এবং উন্নত জীবনযাত্রার ব্যবস্থা করা।
2. শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা: সংবিধানের মূল নির্দেশনা অনুযায়ী, ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার ব্যবস্থা করার জন্য রাষ্ট্রকে উদ্যোগী হতে বলা হয়েছিল।

২৯. নির্দেশমূলক নীতিগুলির উদ্দেশ্য লেখো।

রাষ্ট্রপরিচালনার নির্দেশমূলক নীতিগুলির প্রধান উদ্দেশ্য হলো ভারতে একটি জনকল্যাণমূলক ও বৈষম্যহীন সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা। এই নীতিগুলি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে আইন প্রণয়ন এবং সরকারি নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে পথনির্দেশ দেয়।
এই নীতিগুলির মাধ্যমে সামাজিক ন্যায়, অর্থনৈতিক সাম্য, উন্নত জীবনযাত্রা, শিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি সমাজের দুর্বল শ্রেণির মানুষের উন্নয়ন এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অতএব, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়ের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র গঠন করাই নির্দেশমূলক নীতিগুলির প্রধান লক্ষ্য।

৩০. রাষ্ট্রপরিচালনার নির্দেশমূলক নীতিগুলির দুটি গুরুত্ব বা তাৎপর্য লেখো।

নির্দেশমূলক নীতিগুলির দুটি গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য হলো—
১. রাজনৈতিক তাৎপর্য: নির্দেশমূলক নীতি সরকারকে জনকল্যাণমূলক শাসন পরিচালনার পথ দেখায়। ড. বি. আর. আম্বেদকরের মতে, কোনো সরকার এই নীতিগুলি উপেক্ষা করলে আদালতের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য না হলেও নির্বাচনের সময় জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হয়। তাই এই নীতিগুলির রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে।
২. অর্থনৈতিক তাৎপর্য: এই নীতিগুলির মাধ্যমে অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস, সম্পদের সুষম বণ্টন, সমকাজে সমবেতন এবং শ্রমিকদের কল্যাণের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা ও সমাজের দুর্বল শ্রেণির উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

৩১. নির্দেশমূলক নীতিগুলির দুটি ব্যর্থতা উল্লেখ করো।

নির্দেশমূলক নীতিগুলির বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দুটি প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো—
১. আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়: নির্দেশমূলক নীতিগুলি সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলেও এগুলি সরাসরি আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যায় না। ফলে সরকার এই নীতিগুলি যথাযথভাবে কার্যকর না করলে নাগরিকেরা কেবল এই নীতির ভিত্তিতে আদালতের কাছে প্রতিকার দাবি করতে পারেন না।
২. বেকারত্বের সমস্যা: কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন নির্দেশমূলক নীতির গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। কিন্তু বাস্তবে বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার সমস্যা সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব হয়নি। ফলে এই নীতিগুলির লক্ষ্য অর্জনে সীমাবদ্ধতা দেখা যায়।

৩২. ভারতের নাগরিকদের দুটি প্রধান মৌলিক কর্তব্য লেখো।

ভারতীয় সংবিধানে উল্লিখিত দুটি প্রধান মৌলিক কর্তব্য হলো—
1. সংবিধান ও জাতীয় প্রতীকের প্রতি শ্রদ্ধা: সংবিধান মেনে চলা, সংবিধানের আদর্শ ও প্রতিষ্ঠানগুলিকে সম্মান করা এবং জাতীয় পতাকা ও জাতীয় সংগীতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
2. শিশুদের শিক্ষার ব্যবস্থা: ছয় থেকে চৌদ্দ বছর বয়সি নিজের সন্তান বা প্রতিপাল্যের শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা বাবা-মা বা অভিভাবকের মৌলিক কর্তব্য।

 

আমাদের যে কোনো E-Book সরাসরি WhatsApp-এর মাধ্যমে কিনতে বা কোনো সমস্যা হলে নিচের বাটনে ক্লিক করে মেসেজ করুন -
আরও পড়ুন প্রয়োজনে
সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
জাতি এবং জাতীয়তাবাদ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
রাজনৈতিক তত্ত্বের মৌলিক ধারণাসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
HS 3rd Semester Political Science Suggestion 2026-27 | উচ্চমাধ্যমিক তৃতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন 2026-27 Click here

Our Latest Products

উচ্চমাধ্যমিক

উচ্চমাধ্যমিক বাংলা সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেম বাংলা সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক English সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক English সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেম ইতিহাস সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00

একাদশ শ্রেণি

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
একাদশ শ্রেণি ইতিহাস সাজেশন

একাদশ শ্রেণি ইতিহাস সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি দর্শন সাজেশন

একাদশ শ্রেণি দর্শন সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

একাদশ শ্রেণি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন

একাদশ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

একাদশ শ্রেণি শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি English সাজেশন

একাদশ শ্রেণি English সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
একাদশ শ্রেণি সাজেশন SALE

একাদশ শ্রেণি সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00

Leave a Comment

PDF সাজেশন নিতে ক্লিক করুন