বিশ্বায়ন (তৃতীয় অধ্যায়) রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর ক্লাস 12 চতুর্থ সেমিস্টার

Table of Contents

বিশ্বায়ন (তৃতীয় অধ্যায়) রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর ক্লাস 12 চতুর্থ সেমিস্টার | Globalisation Question Answer Class 12 Political Science

বিশ্বায়ন (তৃতীয় অধ্যায়) রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর
বিশ্বায়ন (তৃতীয় অধ্যায়) রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর

বিশ্বায়ন ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন উত্তর (মান ৬)

১। বিশ্বায়নের বিভিন্ন দিকগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো।

অথবা, বিশ্বায়নের বিভিন্ন রূপগুলির পর্যালোচনা করো।

অথবা, বিশ্বায়নের প্রকৃতি আলোচনা করো।

বিশ্বায়ন হল এমন একটি আন্তর্জাতিক ও বিশ্বব্যাপী প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও সমাজ অর্থনীতি, রাজনীতি, সংস্কৃতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ক্রমশ পরস্পরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়ে পড়েছে। রবসনের মতে, বিশ্বায়নের ফলে পৃথিবী যেন ছোট হয়ে আসে এবং সমগ্র বিশ্বকে একটি একক সত্তা হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা গড়ে ওঠে। বিশ্বায়নের প্রধান রূপ বা দিকগুলি হল—

① অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন : বিশ্বায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন। বিশ্ব অর্থনীতিকে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত করার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অর্থভাণ্ডার, বিশ্বব্যাংক ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অর্থনৈতিক বিশ্বায়নের ফলে বিশ্বজুড়ে মুক্ত বাণিজ্যের প্রসার, লগ্নি পুঁজির অবাধ চলাচল, বহুজাতিক সংস্থার বাণিজ্য ও বিনিয়োগের বিস্তার এবং বিভিন্ন দেশের মধ্যে পণ্য ও পরিষেবার আদান-প্রদান বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের অভিবাসন ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার দ্রুত প্রসার অর্থনৈতিক বিশ্বায়নকে আরও শক্তিশালী করেছে।

② রাজনৈতিক বিশ্বায়ন : বিশ্বায়নের ফলে প্রচলিত জাতিরাষ্ট্রকেন্দ্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপরও প্রভাব পড়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতি, বিশ্ববাজারের প্রসার এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক বৃদ্ধির ফলে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বিশ্বায়ন জাতিরাষ্ট্রের গুরুত্বকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত না করলেও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংগঠনগুলির গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন রাষ্ট্রীয় সীমানা অতিক্রম করে বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর উদাহরণ হল সম্মিলিত জাতিপুঞ্জ (UN), অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংগঠন (OECD) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)। বিশ্বায়নের ফলে আঞ্চলিক সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সংগঠনের গুরুত্বও বৃদ্ধি পেয়েছে।

③ সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন : বিশ্বায়নের আর-একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন। এর ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা, চিন্তাভাবনা ও রুচির মধ্যে পারস্পরিক আদান-প্রদান বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশ্বায়নের একটি প্রবণতা হল বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির মধ্যে ক্রমশ একটি সমজাতীয় সংস্কৃতির বিকাশ। এই প্রবণতাকে অনেকে ‘মার্কিনি ম্যাকডোনাল্ড সংস্কৃতি’ বলে অভিহিত করেছেন। উন্নত তথ্যপ্রযুক্তি, ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, গণমাধ্যম প্রভৃতির মাধ্যমে একটি দেশের ধারণা, সংস্কৃতি, পণ্য ও জীবনযাত্রার ধরন দ্রুত অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক দূরত্ব অনেকাংশে কমে এসেছে।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বায়ন কেবল অর্থনৈতিক প্রক্রিয়া নয়; এর অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক—তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। বিশ্বায়নের ফলে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ও মানুষের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরতা ও যোগাযোগ বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতির ফলে সমগ্র বিশ্ব যেন একটি ‘ভুবন গ্রাম’-এ পরিণত হয়েছে।

২। বিশ্বায়নের রাজনৈতিক প্রভাবগুলি আলোচনা করো।

অথবা, রাজনৈতিক বিশ্বায়নের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলি লেখো।

অথবা, বিশ্বায়ন কীভাবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করেছে তার মূল্যায়ন করো।

অথবা, রাজনৈতিক বিশ্বায়নের ফলাফল সম্পর্কে ব্যাখ্যা করো।

বিশ্বায়নের রাজনৈতিক প্রভাব

বিশ্বায়নের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, নির্ভরশীলতা ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও বিশেষভাবে লক্ষ করা যায়। রাজনৈতিক বিশ্বায়নের যেমন কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে, তেমনই এর কিছু নেতিবাচক প্রভাবও রয়েছে।

ইতিবাচক দিক

① বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে সংহতি বৃদ্ধি : বিশ্বায়নের ফলে বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান বিশ্বে কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নভাবে টিকে থাকা কঠিন। তাই বিশ্বায়ন রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সহযোগিতা ও সংহতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

② রাষ্ট্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি : বিশ্বায়নের ফলে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটেছে। আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রগুলি প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে আরও দক্ষ ও দ্রুত করে তুলতে সক্ষম হয়েছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা সম্ভব হওয়ায় বিদেশনীতি নির্ধারণ এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও রাষ্ট্রের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন
চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন

③ শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা : বিশ্বায়নের ফলে বিভিন্ন দেশের জনগণ যুদ্ধের ভয়াবহতা ও ধ্বংসাত্মক পরিণতি সম্পর্কে আরও সচেতন হয়েছে। এর ফলে যুদ্ধের পরিবর্তে শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিরোধের মীমাংসার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে সহযোগিতা ও সমন্বয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে।

নেতিবাচক দিক

① জাতিরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের সংকট : বিশ্বায়নের ফলে জাতিরাষ্ট্রের প্রচলিত সার্বভৌমত্বের ধারণা কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। বর্তমানে রাষ্ট্রকে জাতীয় নীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, চুক্তি ও বিধিনিষেধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চলতে হয়। ফলে রাষ্ট্রের একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা আগের তুলনায় কিছুটা সীমাবদ্ধ হয়েছে।

② নয়া এলিট শ্রেণির উত্থান : বিশ্বায়নের ফলে বহুজাতিক সংস্থাগুলির প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সংস্থাগুলি বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতাশালী গোষ্ঠীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলে। এর ফলে একটি নতুন এলিট শ্রেণির উত্থান ঘটেছে, যারা অনেক উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতির ওপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে।

③ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের বিস্তার : বিশ্বায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির মধ্যে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও সমন্বয়ের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং উন্নত প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ দ্রুত বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিরাপত্তার নতুন সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

মূল্যায়ন

তবে বিশ্বায়নের সমস্ত রাজনৈতিক প্রভাবকে নেতিবাচক হিসেবে দেখা সমীচীন নয়। রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্বের ওপর বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা কেবল বিশ্বায়নের ফল নয়; আন্তর্জাতিক রাজনীতির দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। একইভাবে নারী অনুন্নয়ন, শিশুশ্রম ও অপুষ্টির মতো সমস্যাগুলির জন্য একমাত্র বিশ্বায়নকে দায়ী করা যায় না। বরং এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার বিভিন্ন দেশে বিশ্বায়ন গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বায়ন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কিছু নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করলেও একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, প্রশাসনিক দক্ষতা, গণতান্ত্রিক চেতনা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নতুন সুযোগও তৈরি করেছে। তাই বিশ্বায়নের রাজনৈতিক প্রভাবকে একপাক্ষিকভাবে ইতিবাচক বা নেতিবাচক না দেখে দুই দিক থেকেই বিচার করা প্রয়োজন।

৩। সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের প্রভাবগুলি লেখো।

অথবা, সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলি সম্পর্কে আলোচনা করো।

অথবা, সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের সুফল ও কুফলগুলি লেখো।

অথবা, সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করো।

অথবা, বিশ্বায়ন কীভাবে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করেছে তার মূল্যায়ন করো।

বিশ্বায়নের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি, গণমাধ্যম, পর্যটন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসারের ফলে সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে যেমন বিভিন্ন ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে, তেমনই কিছু নেতিবাচক প্রভাবও দেখা দিয়েছে। সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের প্রধান প্রভাবগুলি হল—

ইতিবাচক দিক

① দেশীয় অর্থনীতির বিকাশ : সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের ফলে বিভিন্ন দেশের স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জীবনধারা সম্পর্কে বিশ্বের মানুষের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সাংস্কৃতিক পর্যটনের প্রসার ঘটেছে। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পী ও কারিগরদের তৈরি হস্তশিল্প ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক সামগ্রীর আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি হওয়ায় দেশীয় অর্থনীতির বিকাশে সাহায্য হয়েছে।

② সৃজনশীলতার ডিজিটাল প্রসার : বিশ্বায়ন ও তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির ফলে সাংস্কৃতিক সৃষ্টিগুলি ডিজিটাল মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে সহজেই পৌঁছে যাচ্ছে। অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও স্ট্রিমিং পরিষেবার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের সিনেমা, গান, টেলিভিশন অনুষ্ঠান, সাক্ষাৎকার প্রভৃতি সহজেই দেখা বা শোনা সম্ভব হচ্ছে। ফলে শিল্পী ও স্রষ্টারা বৃহত্তর দর্শকসমাজের কাছে নিজেদের সৃষ্টিকর্ম তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছেন।

③ বহুসংস্কৃতিবাদের বিকাশ : সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ফলে মানুষ অন্য দেশের ভাষা, পোশাক, খাদ্যাভ্যাস, শিল্প, জীবনধারা ও মূল্যবোধ সম্পর্কে পরিচিত হচ্ছে। এর ফলে বিভিন্ন সমাজে বহুসংস্কৃতিবাদ বা বিভিন্ন সংস্কৃতির সহাবস্থানের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিদেশি পোশাক, খাদ্যাভ্যাস, ইংরেজি ভাষার ব্যবহার এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক খাদ্যসংস্থার প্রসার এর উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

নেতিবাচক দিক

① জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির অবক্ষয় : বিশ্বায়নের ফলে সারা পৃথিবীতে একই ধরনের ভোগবাদী সংস্কৃতির প্রসার ঘটছে। এর ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলির বৈচিত্র্যপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্য ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। স্থানীয় সংস্কৃতির পরিবর্তে সর্বজনীন ভোগবাদী সংস্কৃতির প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

❖ আমাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করুন
আপনার প্রয়োজনীয় সাজেশন

  • ✅ আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার আপনার রেজাল্ট
  • ✅ পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণ সহযোগিতা
  • ✅ বিনামূল্যে অনলাইন মক টেস্টের সুবিধা
  • ✅ Watermark-মুক্ত পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন PDF
  • ✅ সিলেবাস ও বোর্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রস্তুত
⭐ এতসব সুবিধা পাবেন মাত্র ২৫ টাকার বিনিময়ে। আমাদের মূল লক্ষ্য শুধু সাজেশন বিক্রি করা নয়; বরং ছাত্রছাত্রীদের উপকৃত করা, তাদের ভালো ফলাফল করতে সাহায্য করা এবং সঠিক প্রস্তুতির মাধ্যমে সাফল্যের পথে এগিয়ে দেওয়া।

② পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাব বৃদ্ধি : তথ্যপ্রযুক্তি ও গণমাধ্যমের ব্যাপক প্রসারের ফলে পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রভাবও বৃদ্ধি পেয়েছে। টেলিভিশন, সিনেমা, সামাজিক মাধ্যম, অনলাইন গেমস ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিভিন্ন ভোগবাদী জীবনধারা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে বিশেষত তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অতি-ভোগবাদ, অনুকরণপ্রবণতা এবং নিজস্ব সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে নারী সৌন্দর্যের পণ্যায়নও সাংস্কৃতিক বিশ্বায়নের একটি নেতিবাচক দিক হিসেবে দেখা হয়।

③ নারী সমাজের ওপর নেতিবাচক প্রভাব : বিশ্বায়নের ফলে নারীদের কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হলেও সব ক্ষেত্রে তাঁদের প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয়নি। বিজ্ঞাপন, ফ্যাশন, হোটেল, বিমান পরিষেবা ও সামাজিক মাধ্যমের মতো ক্ষেত্রে অনেক সময় নারীকে তাঁর যোগ্যতার পরিবর্তে সৌন্দর্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়। এর ফলে নারীর পণ্যায়ন ও মর্যাদাহানির প্রবণতা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা অস্থায়ী চাকরি, কম মজুরি, বৈষম্য ও কর্মক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার সমস্যার সম্মুখীন হন।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, সাংস্কৃতিক বিশ্বায়ন একদিকে যেমন বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান, পারস্পরিক পরিচিতি, বহুসংস্কৃতিবাদ ও অর্থনৈতিক সুযোগ বৃদ্ধি করেছে, অন্যদিকে জাতীয় ও আঞ্চলিক সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্য হ্রাস, পাশ্চাত্য ভোগবাদী সংস্কৃতির প্রসার এবং সাংস্কৃতিক বৈষম্যের মতো সমস্যাও সৃষ্টি করেছে। তাই বিশ্বায়নের সুফল গ্রহণের পাশাপাশি নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ সংরক্ষণের দিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

আরো পড়ুন : প্রধান আঞ্চলিক সংস্থাসমূহ

৪। বর্তমান যুগে ভারতে বিশ্বায়নের প্রভাব ও ফলাফল আলোচনা করো।

বিশ্বায়ন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, প্রযুক্তি ও বাণিজ্য পরস্পরের সঙ্গে ক্রমশ যুক্ত হয়ে পড়েছে। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ভারত অর্থনৈতিক উদারীকরণ, বেসরকারিকরণ ও বিশ্বায়নের নীতি গ্রহণ করার পর দেশের অর্থনীতি ও সমাজজীবনে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। এর ফলে ভারতের ওপর বিশ্বায়নের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রভাব পড়েছে।

বিশ্বায়নের ইতিবাচক প্রভাব ও ফলাফল

① অর্থনৈতিক উন্নয়ন : বিশ্বায়নের ফলে ভারতের অর্থনীতি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়েছে। বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বহুজাতিক কোম্পানি ভারতে বিনিয়োগ করতে শুরু করেছে। এর ফলে উৎপাদন, বাণিজ্য ও পরিষেবা ক্ষেত্রে সম্প্রসারণ ঘটেছে।

② শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে প্রসার : বিশ্বায়নের ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, ব্যাঙ্কিং, বিমা, পর্যটন, পরিবহণ প্রভৃতি পরিষেবা ক্ষেত্রে দ্রুত উন্নতি ঘটেছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যার শিল্প আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।

③ কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি : বহুজাতিক সংস্থা ও নতুন নতুন বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রসারের ফলে শিক্ষিত যুবসমাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, বিপিও, ব্যাঙ্কিং ও বিভিন্ন পরিষেবা ক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন
চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন

④ প্রযুক্তিগত উন্নয়ন : বিশ্বায়নের ফলে উন্নত প্রযুক্তি ভারতে দ্রুত প্রবেশ করেছে। ইন্টারনেট, মোবাইল যোগাযোগ, ডিজিটাল পরিষেবা এবং আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তির প্রসার মানুষের জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করেছে।

⑤ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার : বিশ্বায়নের ফলে ভারতীয় পণ্য ও পরিষেবার আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে। ভারতীয় শিল্প ও ব্যবসায়ীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছেন। একই সঙ্গে বিদেশি পণ্যও ভারতীয় বাজারে সহজলভ্য হয়েছে।

বিশ্বায়নের নেতিবাচক প্রভাব ও ফলাফল

① ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সংকট : বিদেশি পণ্য ও বৃহৎ বহুজাতিক সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অনেক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। পর্যাপ্ত পুঁজি ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাবে অনেক ছোট শিল্প প্রতিষ্ঠান বাজারে টিকে থাকতে পারেনি।

② অর্থনৈতিক বৈষম্য বৃদ্ধি : বিশ্বায়নের সুফল সমাজের সব শ্রেণির মানুষ সমানভাবে লাভ করতে পারেনি। শহর ও গ্রামের মধ্যে এবং উচ্চ ও নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক বৈষম্য অনেক ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেয়েছে। দক্ষ ও উচ্চশিক্ষিত মানুষ তুলনামূলকভাবে বেশি সুযোগ পেলেও অদক্ষ শ্রমিকরা অনেক সময় পিছিয়ে পড়েছে।

③ কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব : বিশ্ববাজারের সঙ্গে ভারতীয় কৃষি যুক্ত হওয়ার ফলে কৃষিপণ্যের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা অনেক সময় বাজারের প্রতিযোগিতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপের মুখে সমস্যায় পড়েন।

④ ভোগবাদী সংস্কৃতির প্রসার : বিশ্বায়নের ফলে বিদেশি পণ্য, জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির প্রভাব ভারতীয় সমাজে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিজ্ঞাপন ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে অতিরিক্ত ভোগের প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ওপরও প্রভাব পড়েছে।

⑤ শ্রমজীবী মানুষের অনিশ্চয়তা : বেসরকারিকরণ ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির ফলে অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী কর্মসংস্থানের পরিবর্তে চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী কাজের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে শ্রমিকদের চাকরির নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

HS Class 12

সেমিস্টার প্রস্তুতি

WhatsApp গ্রুপ

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, বিশ্বায়ন ভারতের অর্থনীতিকে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, বৈদেশিক বিনিয়োগ, শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। আবার এর ফলে অর্থনৈতিক বৈষম্য, ক্ষুদ্র শিল্পের সংকট, কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা ও ভোগবাদী সংস্কৃতির প্রসারের মতো সমস্যাও দেখা দিয়েছে। তাই বিশ্বায়নের সুফলকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়ে এর নেতিবাচক প্রভাব নিয়ন্ত্রণ করাই ভারতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।

৫। ভারতীয় অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব কতটা কার্যকরী ও তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা করো।

১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে ভারত অর্থনৈতিক উদারীকরণ, বেসরকারিকরণ ও বিশ্বায়নের নীতি গ্রহণ করে। এর ফলে ভারতীয় অর্থনীতি ধীরে ধীরে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হয়। বিদেশি বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, প্রযুক্তির প্রসার এবং বহুজাতিক সংস্থার প্রবেশের ফলে ভারতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। বিশ্বায়নের প্রভাব একদিকে যেমন অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে, অন্যদিকে কিছু সমস্যারও জন্ম দিয়েছে।

বিশ্বায়নের কার্যকরী ও তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব

① বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি : বিশ্বায়নের ফলে ভারত বিদেশি বিনিয়োগের জন্য আরও উন্মুক্ত হয়। বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা ভারতে শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করতে শুরু করে। এর ফলে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পায়।

② আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার : বিশ্বায়নের ফলে ভারতীয় অর্থনীতি আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। ভারতীয় পণ্য ও পরিষেবার বিদেশের বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রয়োজনীয় পণ্য, কাঁচামাল ও প্রযুক্তি সংগ্রহও সহজ হয়েছে।

③ শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রের উন্নতি : বিশ্বায়নের ফলে তথ্যপ্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ, ব্যাঙ্কিং, বিমা, পর্যটন ও বিভিন্ন পরিষেবা ক্ষেত্রে দ্রুত প্রসার ঘটেছে। বিশেষত তথ্যপ্রযুক্তি ও সফটওয়্যার শিল্প ভারতের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

④ প্রযুক্তির প্রসার : বিশ্বায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফল হল উন্নত প্রযুক্তির দ্রুত প্রবেশ। আধুনিক উৎপাদন পদ্ধতি, তথ্যপ্রযুক্তি, ইন্টারনেট ও ডিজিটাল পরিষেবার প্রসার উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করেছে।

⑤ কর্মসংস্থানের সুযোগ : বহুজাতিক সংস্থা, বেসরকারি শিল্প এবং পরিষেবা ক্ষেত্রের প্রসারের ফলে বিভিন্ন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শিক্ষিত ও দক্ষ যুবসমাজ তথ্যপ্রযুক্তি, ব্যাঙ্কিং, যোগাযোগ ও অন্যান্য পরিষেবা ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ পেয়েছে।

⑥ প্রতিযোগিতা ও গুণমান বৃদ্ধি : বিশ্ববাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতার ফলে ভারতীয় শিল্পসংস্থাগুলি পণ্যের গুণমান উন্নত করা, উৎপাদন ব্যয় কমানো এবং আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণের দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এর ফলে ভোক্তারা বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের পণ্য ও পরিষেবা পাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।

নেতিবাচক প্রভাব

বিশ্বায়নের সুফল সত্ত্বেও এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিদেশি বৃহৎ সংস্থার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় অনেক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল সমাজের সব শ্রেণির মানুষের মধ্যে সমানভাবে বণ্টিত না হওয়ায় আয় ও সম্পদের বৈষম্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষিক্ষেত্রেও আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার প্রভাব পড়েছে। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী কর্মসংস্থানের প্রসারের ফলে অনেক শ্রমিকের চাকরির নিরাপত্তা কমেছে।

চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন
চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন কিনতে ছবিতে ক্লিক করুন

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায়, ভারতীয় অর্থনীতিতে বিশ্বায়নের প্রভাব অত্যন্ত কার্যকরী ও তাৎপর্যপূর্ণ। এটি ভারতের অর্থনীতিকে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি বৈদেশিক বিনিয়োগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিল্প ও পরিষেবা ক্ষেত্রের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে এর সুফল যাতে সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং ক্ষুদ্র শিল্প, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেদিকেও যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

আমাদের যে কোনো E-Book সরাসরি WhatsApp-এর মাধ্যমে কিনতে বা কোনো সমস্যা হলে নিচের বাটনে ক্লিক করে মেসেজ করুন -
আরও পড়ুন প্রয়োজনে
সংবিধান সংশোধন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 12 চতুর্থ সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
নির্বাচন ও প্রতিনিধিত্ব সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
মৌলিক অধিকারের অর্থ ও প্রকৃতি, নির্দেশমূলক নীতিসমূহ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here
সরকারের বিভিন্ন রূপ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর | ক্লাস 11 দ্বিতীয় সেমিস্টার রাষ্ট্রবিজ্ঞান Click here

Our Latest Products

উচ্চমাধ্যমিক

উচ্চমাধ্যমিক বাংলা সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেম বাংলা সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক English সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক English সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ৪র্থ সেম ইতিহাস সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক দর্শন সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন

উচ্চমাধ্যমিক সংস্কৃত সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00

একাদশ শ্রেণি

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন

একাদশ শ্রেণি বাংলা সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
একাদশ শ্রেণি ইতিহাস সাজেশন

একাদশ শ্রেণি ইতিহাস সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি দর্শন সাজেশন

একাদশ শ্রেণি দর্শন সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

একাদশ শ্রেণি রাষ্ট্রবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন

একাদশ শ্রেণি ভূগোল সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

একাদশ শ্রেণি শিক্ষাবিজ্ঞান সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00
একাদশ শ্রেণি English সাজেশন

একাদশ শ্রেণি English সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹25.00
একাদশ শ্রেণি সাজেশন SALE

একাদশ শ্রেণি সাজেশন

★★★★★
₹49.00 ₹35.00

Leave a Comment

PDF সাজেশন নিতে ক্লিক করুন